সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ , ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরিকল্পিত বাঁধে বিপদ, উন্নয়নের নামে আত্মঘাতী পথচলা অপরিকল্পিত বাঁধ ও উন্নয়ন এখন হাওরের গলার কাঁটা ক্ষেতে-খলায় নষ্ট হচ্ছে ধান যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক নিহত অপরিকল্পিত বাঁধে হাওরে সর্বনাশ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত লক্ষাধিক হেক্টর জমির ফসল শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিসি ব্লক চুরির অভিযোগ উন্নয়ন প্রকল্পে বদলাচ্ছে ৫ বিদ্যালয়ের অবয়ব দিরাইয়ে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আজ মহান মে দিবস তাহিরপুরে ভাঙারখাল নদীর উপর টোল-ফ্রি বাঁশের সেতু নির্মাণ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ৬৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে, থাকছে ৪৯৮ প্রস্তাব সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উদযাপিত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেল ছায়ার হাওর কাটা ধানে গজাচ্ছে চারা জলাবদ্ধতায় ডুবছে হাওরের ধান, অসহায় কৃষক
তিন বছরে দুই হাজার ১৩৬টি বাঁধে ৯৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮৮ ঘনমিটার মাটি ব্যবহার হয়েছে

অপরিকল্পিত বাঁধ ও উন্নয়ন এখন হাওরের গলার কাঁটা

  • আপলোড সময় : ০৪-০৫-২০২৬ ০২:০০:২১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৫-২০২৬ ০২:০৪:১০ অপরাহ্ন
অপরিকল্পিত বাঁধ ও উন্নয়ন এখন হাওরের গলার কাঁটা
শামস শামীম ::
হাওরের জেলাগুলোতে অন্যান্য বছর উজানের ঢলে ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে বছরের একমাত্র ফসল বোরো ধান তলিয়ে যায়; এবার সেভাবে বাঁধ না ভাঙলেও ওই বাঁধকেই ফসলহানির জন্য দায়ী করছেন কৃষকরা। বাঁধ বাস্তবায়নকারী সংস্থা পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবোও তা মানছে। সরকারি এ সংস্থার একজন কর্মকর্তা বলেছেন, হাওরে জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ ‘যত্রতত্র উন্নয়ন’। কৃষক ও হাওর আন্দোলনের নেতারা বলছেন, গত এক দশকে রাজনৈতিক ও স্বজনপ্রীতির কারণে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ফসল রক্ষার নামে হাওরের যেখানে-সেখানে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এসব বাঁধের কারণে হাওর থেকে বৃষ্টি পানি নামার রাস্তাগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। হাওরের তীরবর্তী যে উঁচু জমি বর্ষায় ডুবে থাকে, তাকে বলা হয় ‘জাঙ্গাল’। শুকনো মৌসুমে ওই জাঙ্গাল কেটে সেই মাটি বাঁধে দেওয়া হয়। বর্ষায় সেই মাটি ধুয়ে গিয়ে হাওর সংলগ্ন খাল ও নদীতে গিয়ে পড়েছে এবং ভরাট হয়ে পানি ধারণক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। ফলে উজান থেকে যখন ঢল নামছে, সেই পানি বেরিয়ে যাওয়ার পথ পাচ্ছে না। টানা বৃষ্টিতে তৈরি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। তাতে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। শুরুর দিকে অনেক হাওরে কৃষক শত শত শ্যালো মেশিন বসিয়ে সেই পানি সরানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু যখন বৃষ্টি বেশি হয়, হাওর ভেসে যায়, তখন কৃষক বা পাউবো কারো আর কিছু করার থাকে না। ফলে ধান বাঁচানো যায়নি। হাওরের অনেকে এ অবস্থাকে ‘নয়া দুর্যোগ’ বলছেন।
হাওর অঞ্চলের অভিজ্ঞ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, বৃষ্টির পানিতে এরকম জলাবদ্ধতা ৫-১০-১৫-২০ বছর পর পর হয়। এটাকে হাওরের মানুষ ‘কাঁচইরা’ (‘কাঁচা বছর’ বা বৃষ্টি-বাদলের বছর) বলেন। ভালো বছরকে হাওরের মানুষ বলে, ‘সোনার বৈশাখ’। এবার হাওরে ‘কাঁচইরা বছর’ চলছে। এবার ফালগুন মাস থেকে হাওরে বৃষ্টি চলছে। বৃষ্টিতে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নি¤œাঞ্চলের কাঁচা ফসল ডুবে নষ্ট হয়েছে। তখন বিভিন্ন হাওরে পাম্প লাগিয়েও সেচ দিয়েছেন কৃষকরা।

সেচের জন্য সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল নগদ অর্থও দিয়েছিলেন। জামালগঞ্জের হালির হাওর ও পাগনার হাওরে শত শত পা¤প লাগিয়ে পানি নিষ্কাশন করেছিলেন কৃষকরা। তখন কিছু ফসলও কেটেছে কৃষক। কিন্তু ২৫ এপ্রিলের পর শুরু হয় টানা বর্ষণ। বিশেষ করে ২৭ এপ্রিলে ভারি বর্ষণে অনেক হাওরের ফসল ডুবে গেছে। এখন সেসব হাওর জলে থৈ থৈ করছে।
বিপদের রূপান্তর : আগে যখন বাঁধ ভেঙে কৃষকের ধান তলিয়ে যেত, তখন কৃষক সরাসরি এজন্য দায়ী করত পাউবোকে। তাদের অভিযোগ ছিল, পাউবো বাঁধে দুর্নীতি করেছে, ঠিকমত কাজ করেনি তাই সামান্য পানির চাপে বাঁধ ভেঙে গেছে। ২০১৭ সালে ফসল হারানোর পর কৃষকদের দাবির মুখে বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সাল থেকে হাওরে কৃষক, পাউবো, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি বা পিআইসির মাধ্যমে হাজার হাজার ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মিত হচ্ছে। অভিযোগ আছে, এই সুযোগে হাওরের প্রাণ ও প্রকৃতি নষ্ট করে নির্বিচারে যত্রতত্র বাঁধ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবছরই বাঁধের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মাটি কাটার পরিমাণ। অপরিকল্পিত বাঁধের সঙ্গে বাঁধের বিপুল মাটি প্রতি বছর হাওরে, নদীতে, খালে ও জলাশয়ে এসে পড়ছে। পাউবো সুনামগঞ্জের এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৭১৮টি প্রকল্পের আওতায় জেলায় প্রায় দেড়শ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে ৩১ লাখ ২১ হাজার ঘনমিটার মাটি কাটা হয়েছে। এর আগের অর্থবছর, অর্থাৎ ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে ১৪৫ কোটি টাকার ৬৮৪টি প্রকল্পে মাটি কাটা হয়েছিল ৩০ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৮ ঘনমিটার। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে প্রায় ৬০০ মিটার বাঁধ নির্মাণে ৭৩৪টি প্রকল্পের আওতায় ১০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেসব প্রকল্পে ৩২ লাখ আট হাজার ২৩৩ ঘনমিটার মাটি ব্যবহার হয়েছিল। তিন বছরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এই হাওরে দুই হাজার ১৩৬টি ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ বা সংস্কার হয়েছে। যাতে ৯৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮৮ ঘনমিটার মাটি ব্যবহার হয়েছে। মাটি কাটার ফলে এক দিকে হাওরের জাঙ্গাল, উঁচু জমি, বন, গাছগাছালি ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে সেই মাটিতেই হাওরের জলমহাল, হাওর, হাওর ঘেঁষা নদী ও খাল ভরাট হয়েছে। সব মিলিয়ে বাঁধই এখন গলার ফাঁস হয়ে দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেক কৃষক। অবশ্য পাউবো’র এই মাটির হিসাব নিয়ে কৃষকদের অন্য অভিযোগও রয়েছে। তাদের ভাষ্য, বিপুল বরাদ্দ হাতিয়ে নিতে কাগজে-কলমে ওই মাটি কাটার কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই পরিমাণ কম।
তাহিরপুরের পাটাবুকা গ্রামের মাটিয়ান হাওরের কৃষক রিপচান হাবিব বলেন, প্রতি বছর প্রতিযোগিতা করে অপ্রয়োজনীয় বাঁধ দেওয়া হয়। এই বাঁধের মাটি দেওয়া হয় জাঙ্গাল কেটে। এই মাটি আবার বর্ষায় হাওরে গিয়ে পতিত হয়। এতে হাওর ভরাট হচ্ছে। আমাদের এলাকায় বহু জলাশয়, খাল হাওরের বাঁধের মাটিতে ভরাট হয়ে গেছে। হাওরের প্রাণ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করেন মধ্যনগরের বাসিন্দা গবেষক সজল কান্তি সরকার। তিনি বলেন, ৫-১০ বছর পর পর হাওরে ‘কাঁচইরা বছর’ ফিরে ফিরে আসে। এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে জলাবদ্ধতা দৃশ্যমান হচ্ছে। কিন্তু অতীতেও এভাবে ‘ডোবরা’ বা ‘ট্যাবলা’ (জলাবদ্ধতা) হাওরের ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এলাকায় এলাকায় প্রতিযোগিতামূলক বাঁধ। বিপুল বাঁধের লক্ষ লক্ষ টন মাটি হাওরের কান্দা, উঁচু স্থান, জীববৈচিত্র ধ্বংস করার পাশাপাশি পানির আধার জলাশয়, হাওর, খাল ও নদ-নদী ভরাট হচ্ছে।
নীতিগত দুর্বলতাবাস্তবায়নের ঘাটতি : পাউবোর পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে তুলনামূলক বেশি। ২০২৫ সালের ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল রেকর্ডে দেখা যায়, ওই সময়ে জেলার প্রধান সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ পয়েন্টে যথাক্রমে ৩.৫৯, ৩.৪৬, ৩.৩৭ ও ৩.২৫ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হয়েছিল।
এ বছর ২৭ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সুনামগঞ্জ পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি (সকাল ৯টার হিসাব) যথাক্রমে ৩.৫১, ৩.৮৬, ৪.৩৬ ও ৪.৫৪ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে গত বছর এই সময়ে বৃষ্টিপাত ছিল একেবারে কম। এ বছর ২৫ এপ্রিল থেকেই ভারী বর্ষণ হচ্ছে। ২৭-২৮ এপ্রিল ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জের লাউড়ের গড় পয়েন্টে ১৩৩ মিলিমিটার, ছাতক পয়েন্টে ৭৬ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জ পয়েন্টে ১৩৭ মিলিমিটার এবং দিরাই পয়েন্টে ২০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ গত বছর ২৮ এপ্রিলের পরিসংখ্যানে মাত্র ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। পরের দিন থেকে ওই বছর মাত্র ছয় ও এক মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল।
অ্যাস্যোসিয়েটস ফর ইনোভেটিভ রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এআইআরডি) পরিচালক ও পিএইচডি গবেষক আব্দুল হাই চৌধুরী বলেন, হাওর অঞ্চলের আগাম বন্যার দীর্ঘদিনের এ সংকট কেবল প্রাকৃতিক নয়; এর পেছনে রয়েছে নীতিগত দুর্বলতা ও বাস্তবায়নের ঘাটতি। কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) ও পিআইসির (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) মতো ত্রুটিপূর্ণ নীতির আওতায় বছরের পর বছর হাওরের বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই কাজগুলোতে ব্যাপক দুর্নীতি, অদক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবের কারণে বাঁধগুলো টেকসই হচ্ছে না। ফলস্বরূপ, সামান্য পাহাড়ি ঢলেই বাঁধ ভেঙে যায় এবং বারবার ফসলহানির ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে বাস্তবায়িত ও অপরিকল্পিত বাঁধ মেরামতের মাটি পুনরায় হাওরে জমা হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে হাওরের পানি ধারণক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। এবারের দুর্যোগের অন্যতম কারণ এটি। কয়েক দশক ধরে চলমান এই প্রক্রিয়া হাওর এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ভুল রাষ্ট্রীয় নীতি, জনস¤পৃক্ততার অভাব, এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যববস্থা এবং কর্মকর্তাদের অবহেলা এবং অদক্ষতা এই সংকটের মূল। হাওর ও জলাভূমি অধিদপ্তরকে ‘কাগুজে অস্তিত্ব’ থেকে বের করে কার্যকর ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর না করলে এই সংকট দূর হবে না বলে মনে করেন গবেষক আব্দুল হাই চৌধুরী।
সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রয়োজন : পাউবো সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ মো. ইমদাদুল হক বলেন, হাওরে যত্রতত্র উন্নয়ন জলাবদ্ধতার অনতম কারণ। বাঁধের মাটি যে প্রতি বছর জলাশয় ও খাল-নদী ভরাট করছে, সে কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে এবার শুরু থেকেই আমরা কাজ করেছি। তারপরও ভারী বর্ষণের কারণে প্রতিটি হাওরের জমি জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে।
সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, জলাবদ্ধতায় প্রায় ১৫ হাজার ৫৫৩ হেক্টর জমির বোরো ধান নষ্ট হয়েছে এবার। ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, হাওর নিয়ে প্রয়োজন সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা। হাওর রক্ষা করতে হলে হাওর মন্ত্রণালয় গঠন করে হাওরের মানুষের মতামত নিয়ে সব ধরনের উন্নয়ন করতে হবে। হাওরের চরিত্র, প্রকৃতি বুঝে কাজ না করলে আগামীতে হাওর আরো প্রতিশোধ নেবে। তাই হাওরের সামগ্রিক উন্নয়ন হতে হবে পরিকল্পিত। তবে জরুরি ভিত্তিতে হাওর রক্ষা করতে হলে নদী, খাল, জলাশয় খনন করতে হবে। আমরা এরই মধ্যে হাওরে খাল খনন শুরু করেছি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স